Skip to main content

Posts

Showing posts from February, 2020

গভীর রাতে বাসে যাত্রা (ভূতের গল্প) 👹☠️

একদা এক লোক গভীর রাতে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় তার সামনে বাস দাঁড়ায়। বাসের কন্ডাক্টর বলে ওঠে, "কোথায় যাবেন মশাই?" লোকটি বলল, "বসিরহাট যাব" - উঠে আসুন অনেক সিট খালি আছে। - ভারা কত? - আপনি যা দেবেন। তারাতারি উঠে আসুন তাছাড়া এই লাইনে অন্য কোনো বাস পাবেন না।      লোকটি কন্ডাক্টরের কথা মত উঠে পড়ল। বাসে পাঁচ-ছয় জন বাস যাত্রী ছিল। এবং তারা ঘুমিয়ে আছে মনে হল। লোকটি সবার সাথে কথা বলতে খুব ভালোবাসতো। তাই কারোর সাথে না কথা বলতে পারায় খুব অস্বস্তি বোধ করছিল। না পেরে সে বাস কন্ডাক্টরের সাথে গল্প জুড়ে দিলো। লোকটি বাস কন্ডাক্টরকে বলল, "আমি তিন বছর ধরে এই পথ দিয়ে যাতায়াত করছি, তবে কোন দিন এই পথ দিয়ে গাড়ি-ঘোড়া যেতে দেখলাম না।  - না না মশাই। আমরা তো দশ বছর ধরে এই লাইনে বাস চালাচ্ছি। - ও । এদিকে জানালা দিয়ে লক্ষ্য করল বাসটি অন্য দিকে যাচ্ছে। লোকটি কন্ডাক্টরকে জানান এটা ভূল রাস্তার যাচ্ছে। - না না এটা সর্ট কার্ট রাস্তা। এই রাস্তা দিয়ে গেলে তারাতারি পৌঁছনো যাবে। আপনি নিশ্চিন্তে বসে থাকুন।      এবং পাসের বাসযাত্রীর গাথেকে রক্তের...

ভালোবাসাই সম্পদ ও সাফল্যকে ডেকে আনে ❤️✔️ ( শিক্ষনীয় গল্প)

এক মহিলা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখলাে উঠানের সামনে তিনজন। বৃদ্ধ ব্যক্তি বসে আছেন। তিনি তাদের কাউকেই চিনতে পারলেন না। তাই বললেন, 'আমি আপনাদের কাউকেই চিনতে পারলাম না, কিন্তু আপনারা হয়তাে ক্ষুধার্ত। আপনারা ভেতরে আসুন , আমি আপনাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করছি। তারা জিজ্ঞেস করলেন 'বাড়ির কর্তা কি আছেন?' মহিলা বললেন, “না। তিনি বাইরে গেছেন। তাহলে আমরা। আসতে পারবাে না। সন্ধ্যায় যখন বাড়ির কর্তা ঘরে ফিরে সব শুনলেন তখন তিনি বললেন, 'যাও তাদের বলাে যে আমি ফিরেছি এবং তাদের ঘরে আসার জন্যে অভ্যর্থনা জানাচ্ছি।' মহিলা বাইরে গেলেন এবং তাদের ভেতরে আসতে বললেন। কিন্তু তারা বললাে, “আমরা এভাবে যেতে পারি না। মহিলা জিজ্ঞেস করলেন, কিন্তু কেন? আবার কি সমস্যা?' বৃদ্ধ লােকেদের মধ্যে একজন বললেন, 'আমাদের মধ্যে একজনের নাম সম্পদ। আরেক জনের দিকে নির্দেশ করে বললেন, তার নাম সাফল্য এবং আমি ভালবাসা। এখন আপনি ভেতরে গিয়ে। | সিদ্ধান্ত নিন আমাদের কাকে আপনি ভেতরে ঢুকতে দেবেন।' মহিলা। যখন ভেতরে গিয়ে সব খুলে বললেন তখন তার স্বামী অত্যন্ত খুশি হয়ে | গেলেন এবং বললেন, 'অসাধারন! চল আমরা সম্পদকে ডা...

ছদ্মবেশী নেকড়ে (শিক্ষনীয় গল্প)

অতি সহজে শিকার ধরার জন্য একদা একটি দুষ্টু নেকড়ে ফন্দী আটলো। একটা ভেড়াকে মেরে ফেলার পর নেকড়েটা তার চামড়া কেটে নিজের গায়ের উপর চাপিয়ে নিল। গায়ে ভেড়ার চামড়া চাপিয়ে সে ভেড়ার পালের সাথে মিশে গেল। ভেড়ার পালের রাখাল সেটা টেরই পেল না। নেকড়ে তো মহাখুশী। তবে রাখাল থাকায় সাথে সাথে নেকড়েটা ভেড়াদের উপর আক্রমণ করতে পারছিল না। নেকড়ে ভাবল, রাতের বেলা তো রাখাল থাকবে না, তখন সে ইচ্ছেমত ভেড়ার মাংস খাবে। এদিকে সন্ধ্যায় রাখাল ভেড়াদের সাথে সাথে ছদ্মবেশী নেকড়েটাকেও খোঁয়াড়ে ভরে দিল। নেকড়ে চোখ বড় বড় করে পালের সেরা ভেড়াটাকে খুঁজতে লাগল। তার মাংস দিয়েই নেকড়েটা পেট ভর্তি করতে চায়। কিন্তু নেকড়ের মনোবাসনা পূর্ণ হলো না। একটু পরেই রাখাল চিন্তা করল, সে রাতে ভেড়ার মাংস খাবে। কিন্তু ভেড়ার বদলে সে ছদ্মবেশী নেকড়েকেই জবাই করে ফেলল। এভাবেই ছদ্মবেশী নেকড়ের জীবনাবসান হলো। শিক্ষা: অপরের ক্ষতি করতে চায় যে জন, নিজের ক্ষতি ডাকে সেই জন।                     © Your Pritam

দরিদ্র বাবা ও ছেলে (শিক্ষনীয় গল্প)

               কোন এক শহরে দরিদ্র লোক বাস করত। লোকটি কোনো রকমে তার সংসার চালাতো। কোন কোন দিন দুবেলা খাওয়া জুটতো না তাদের। সারা দিন খাটাখাটনি করে যেটুকু রোজগার হতো সেটুকু ঘোরের থাকায় রেখে দিত। এবং প্রতিদিন তার ছেলে ওখান থেকে  লুকিয়ে  কিছু টাকা নিয়ে নিতো, এবং সে কিছু তাকে বলত না, আর টাকা গুলো সে ওখানেই রাখতো প্রতিদিন । এদিকে টাকা গুলো নিয়ে ছেলেটি নেশা পান ও অন্যান্য খারাপ কাজে নষ্ট করতে থাকে।      একদিন ছেলেটি তার বাবার কাছে জামা কিনে দেওয়ার জন্য বায়না করতে থাকে। তার বাবা তাকে খুব ভালোবাসতো, তার কোন আবদার ফেলতে পাড়ত না। টাকা পয়সার অভাবের সত্ত্বেও  কষ্ট মষ্ট করে ধার দেনা করে তাকে জামা কিনে দেয়। এবং তাকে বলেছিল, তোর ছেরা জামাটা আমি নিতে পারি। ছেলেটির চোখ দিয়ে জল গড়াতে লাগলো।      ছেলেটি নিজের ভুল বুঝতে পাড়ল। এরপর দিন থেকে সে নিজে রোজগার করতে শুরু করে।  ঘরের থাকায় যেখানে টাকা থাকত সেখান থেকে টাকা চুরি করার বদলে এবার থেকে নিজের রোজগারের টাকা দিতে লাগলো। এবং সংসারে দায়িত্ব সাম...

আপনি অপরকে যেটা দেবেন.. সেটাই পরে আবার আপনার কাছে ফিরে আসবে..তা সেটা সম্মান হোক বা ঘৃণা… (শিক্ষনীয় গল্প)

এক গ্রামে একজন কৃষক ছিলেন.. তিনি দুধ থেকে দই ও মাখন তৈরি করে বিক্রি করতেন.. একদিন কৃষকের স্ত্রী মাখন তৈরি করে কৃষককে দিলেন বিক্রি করতে.. কৃষক তা বিক্রি করার জন্য গ্রাম থেকে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন.. মাখন গুলো গোল-গোল রোল আকৃতিতে রাখা ছিল.. যার প্রত্যেকটির ওজন ছিল ১ কেজি করে.. শহরে পৌঁছে কৃষক প্রতিবারের ন্যায় পূর্ব নির্ধারিত দোকানে মাখন গুলো দিয়ে পরিবর্তে চা.. চিনি.. তেল ও তার সংসারের প্রয়জনীয় দ্রব্যাদি নিয়ে আসতেন.. আজ কৃষক চলে যাওয়ার পরে দোকানদার মাখনের রোল গুলো একটা একটা করে ফ্রিজে রাখার সময় ভাবলেন মাখনের ওজন সঠিক আছে কিনা আজ একবার পরীক্ষা করে দেখা যাক.. মাখনের রোল গুলো ওজন করতেই উনি দেখলেন মাখনের ওজন আসলে ১ কেজি নয় তা প্রতিটা আছে ৯০০ গ্রাম করে.. পরের সপ্তাহে আবার কৃষক উক্ত দোকানে মাখন বিক্রি করতে গেলেন.. দোকানের সামনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার কৃষকের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলতে লাগলেন.. ‘বেরিয়ে যাও আমার দোকান থেকে.. এবার থেকে কোন বেঈমান চিটিংবাজের সাথে ব্যাবসা কর.. আমার দোকানে আর কোনদিন পা রাখবে না.. ৯০০ গ্রাম মাখন ১ কেজি বলে বিক্রি করা লোকটার মুখ আমি দেখতে চাইনা.. কৃ...

🍑এক রাজা এবং তিন মন্ত্রীর গল্প 🍓🍓🥝🍅🍏(শিক্ষনীয় গল্প)

একবার এক রাজা তার তিন মন্ত্রীকে ডেকে বললেন, এই নাও তোমাদের একটা করে খালি বস্তা দিলাম। তোমাদের কাজ হবে বনে গিয়ে বিভিন্ন ফল কুড়িয়ে এই বস্তা ভরে নিয়ে আসবে, দেখি কে কত তাড়াতাড়ি বস্তা পূর্ণকরে নিয়ে আসতে পার । তিন জন চলে গেল জংগলে । 🧒 👦 ১ম মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা বলেছেন তাই ভালো ভালো ফল কুড়িয়ে বস্তা পূর্ণ করি এবং সেই মত জঙ্গলের ভালো ফল দিয়ে বস্তা ভরে ফিরে আসল। 🧒 🧑 ২য় মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা তো সব ফল দেখবেন না তাই হাবিজাবি পচা ফল দিয়ে সে নীচের দিকে পূর্ণ করে, উপরের দিকে শুধু কিছু ভালো ফল দিয়ে বস্তা পূর্ণ করলো এবং ফিরে আসল। 🧑 👦 ৩য় মন্ত্রী চিন্তা করলো , রাজার এত সময় কোথায় বস্তা খুলে খুলে দেখবে, সে শুধু দেখবে বস্তা পূর্ণ হয়েছে কিনা । জঙ্গলে মরা পাতা,ঘাস, কাঠ দিয়ে বস্তা পূর্ণ করে নিয়ে এলো। তিন মন্ত্রী রাজার দরবারে হাজির, রাজা সবার বস্তা পূর্ণ দেখে খুশী হলেন । তিনি বস্তাগুলো খুলেও দেখলেন না। ৩য় মন্ত্রি নিজের বুদ্ধির কথা চিন্তা করে নিজেকে বেশ বুদ্ধিমান মনে করতে লাগলো। রাজা একটু সময় নিয়ে তার মসনদে বসলেন এবং ঘোষণা করলেন, এই তিন মন্ত্রীদের তাদের বস্তা সহ ৭ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানো হোক এবং ...

ইন্টারনেট ছাড়া একদিন ‼️🤖

    হঠাৎ কোন এক দিনের শুরুতে মোবাইলে একটি মেসেজ এসেছিল। আমি তারাতারি মেসেজটি খুললাম। লেখা ছিল আজ সরকারি নির্দেশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকবে।      মেসেজটি আসার পর খুব রাগ হল । তারাতারি চোখ মুখ ধুয়ে পড়তে গেলাম । সেখানে সবাই বলাবলি করছিল পাশের গ্রামের দাঙ্গা, মারামারি হচ্ছে তাই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। পরাশুনা শেষ হয়ে গেল। আমি বাড়ি আসলাম। বসে রয়েছি কিছুই করতে ভালো লাগছে না।        এদিকে মা আমাকে কাচা জামা-কাপড় গুলো ছাদে মেলে দিয়ে আসতে বলল। আমি গেলাম এবং যেতে যেতে ভাবছিলাম এই সময়টা আমি পাবজি খেলতাম। কি আর করা যাবে ইন্টারনেট তো বন্ধ। আর কোন অফলাইন গেমস ডাউনলোড করা নেই যে ওগুলো খেলবো।                               ( ছাদে জামা-কাপড় মেলতে গিয়ে)      মেঘলা আকাশ মাঝে মাঝে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাচ্ছে। এক প্রজাতি যেন আমার দেখে ভিন্ন ভিন্ন অঙ্গি-ভঙ্গি -তে উড়ছে। আমি প্রজাপতির পিছু নিতে শুরু করলাম। কিছুক্ষণ পর প্রজাপতিটা আমার হারিয়ে যাওয়া ফু...

আত্মহত্যা ‼️

আপনার যদি কখনও আত্নহত্যা করতে মন চায় তাহলে এক কাজ করতে পারেন,পকেটে কিছু টাকা নিয়ে কিছুদিনের জন্য হাওয়া হয়ে যান, একদম হাওয়া যেন কেউ জানতে না পারে, পরিবার, বন্ধু-বান্ধবী প্রেমিক-প্রেমিকা কেউ না মনের মতাে করে জীবনের শেষ কটা দিন কোন দর্শনীয় স্থানে কাটান। এরপর আপনি যখন ফিরে আসবেন, দেখবেন কোন কিছুই আর। আগের মতাে নেই ভয়ংকর কিছু ঘটে গেছে লক্ষ করবেন আপনার ভয়ংকর কড়া মেজাজের বাবা আপনাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরে শিশুর মতাে কান্না করছে, আপনার মাকে ইতিমধ্যে স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়েছে আপনার আত্মীয়-স্বজন যারা আপনাকে চেনেও না তারাও আপনার খোঁজ নেওয়ার জন্য ফোনের পর ফোন দিয়ে যাচ্ছে, কেউ কেউ। বাসায়ও চলে এসেছে আপনার ভাইবােন শক্ত করে জরিয়ে ধরে আছে আপনাকে, কোথাও যেতে দিচ্ছে না আপনাকে, পরে যদি আবার হারিয়ে যান কোথাও..!! বন্ধুরা হঠাৎ করে কোথা থেকে এসে কলার চেপে ধরে দুমদাম। দু'চারটা দিয়ে বলবে, "কোথায় হারিয়ে গেছিলি রে হারামজাদা" আপনার পরম শত্রুও দেখবেন আপনার খোঁজ নিতে এসে বলবে,কোথায় ছিলেন এতাে দিন.? পাশের বাসার আন্টি যে মােটেও আপনাকে দেখতে পারতাে না, আপনার দোষ খুঁজে বের করে সবার কানে দে...

Your Pritam কে ?

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট থানার অন্তর্গত হরিশপুর গ্রামে তার জন্ম । তার জন্ম ২৫ শে সেপ্টেম্বর ২০০৩ । তিনি ছোটোবেলা থেকেই মোবাইল চালাতে অস্তাদ ছিল। তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়স থেকে ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেন। পরে গিয়ে সে টিকটিক ভিডিও বানাতে শুরু করে। সেই সাথে সাথেই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটারে জুরে থাকতেন।  তার ইউটিউব চ্যানেলের নাম Your Pritam ইন্সটাগ্রামে @imyourpritam  টিকটকে @imyourpritam টুইটারে @imyourpritam ফেসবুক পেজে Pritam Mondal